ই-পাসপোর্ট
নতুন আবেদন ও রি-ইস্যু, দুটোর ফি একই। সব অঙ্কে ১৫% ভ্যাট ধরা আছে।
নির্ধারিত সময়
অতি জরুরি ২ কর্মদিবস, জরুরি ৭ কর্মদিবস, সাধারণ ১৫ কর্মদিবস
এই সময়সীমা শর্তযুক্ত। চার্টারের ভাষায় "অনুকূল পুলিশ প্রতিবেদন প্রাপ্তি সাপেক্ষে", অর্থাৎ ঘড়ি থেমে থাকে ভেরিফিকেশন ধাপে, পাসপোর্ট অফিসে নয়।
সরকারি নির্ধারিত ফি
| কী বাবদ | নির্ধারিত ফি |
|---|---|
| ৪৮ পাতা, ৫ বছর, সাধারণ | ৪,০২৫ টাকা |
| ৪৮ পাতা, ৫ বছর, জরুরি | ৬,৩২৫ টাকা |
| ৪৮ পাতা, ৫ বছর, অতি জরুরি | ৮,৬২৫ টাকা |
| ৪৮ পাতা, ১০ বছর, সাধারণ | ৫,৭৫০ টাকা |
| ৪৮ পাতা, ১০ বছর, জরুরি | ৮,০৫০ টাকা |
| ৪৮ পাতা, ১০ বছর, অতি জরুরি | ১০,৩৫০ টাকা |
| ৬৪ পাতা, ৫ বছর, সাধারণ | ৬,৩২৫ টাকা |
| ৬৪ পাতা, ১০ বছর, সাধারণ | ৮,০৫০ টাকা |
একটি সতর্কতা
ফি তালিকার সরকারি পাতাটি ২০২০ সালের। টাকা জমা দেওয়ার আগে epassport.gov.bd-এর পেমেন্ট পাতায় অঙ্কটি মিলিয়ে নিন।
সূত্র
ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের সিটিজেন চার্টার, এবং আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের প্রকাশিত ফি তালিকা
সময়সীমা হালনাগাদ ১৮ মার্চ ২০২৫, ফি তালিকার পাতা ৭ অক্টোবর ২০২০
আপনার ক্ষেত্রে আসলে কত লেগেছে?
উপরের সংখ্যাগুলো কাগজে লেখা। বাস্তবে এর চেয়ে বেশি লাগলে সেটিই আসল তথ্য, এবং সেটি কোথাও লেখা থাকে না। দুটো সংখ্যা যথেষ্ট: কত টাকা, কত দিন। নাম, ফোন নম্বর বা অ্যাকাউন্ট লাগে না।
আপনার অভিজ্ঞতা জানান