গোপনীয়তা
সর্বশেষ হালনাগাদ: ২৭ আগস্ট ২০২৬
এই সাইটটি এমনভাবে বানানো, যাতে আপনার পরিচয় আমাদের কাছেও না থাকে। নিচে ঠিক কী রাখা হয় আর কী রাখা হয় না, তা লেখা আছে। যা লেখা নেই, তা রাখা হয় না।
যা আমরা রাখি না
আপনার আইপি ঠিকানা, ব্রাউজারের পরিচয়, সেশন আইডি, নাম বা ফোন নম্বর, কোনোটির জন্যই ডেটাবেসে কলাম নেই। এগুলো "খালি রাখা" হয় না, এগুলোর অস্তিত্বই নেই। যে কলাম নেই, তা আদালতের নির্দেশেও দেওয়া যায় না, ভবিষ্যতের কোনো রক্ষণাবেক্ষণকারীও ভুল করে ব্যবহার করতে পারেন না।
ইমেইল, যদি দেন
ইমেইল দেওয়া ঐচ্ছিক। দিলে তা দুইভাবে রাখা হয়: একটি একমুখী হ্যাশ, যা দিয়ে আপনি পরে নিজের অভিযোগ দাবি করতে পারেন কিন্তু কোনো তালিকা তৈরি করা যায় না; আর একটি সিলমোহর করা রূপ, যার চাবি ডেটাবেসের বাইরে থাকে। ডেটাবেস চুরি হলেও কারও ঠিকানা পড়া যায় না।
ছবি ও নথি
প্রতিটি ছবি নতুন করে এনকোড করা হয়, তাতে ক্যামেরার তথ্য ও জিপিএস অবস্থান মুছে যায়। এটি নিরাপত্তার শর্ত, পরিচ্ছন্নতার নয়: একটি ফোনের ছবিতে থাকা স্থানাঙ্ক আপনাকে চিহ্নিত করতে যথেষ্ট। পিডিএফ থেকে লেখকের নাম মোছা যায় না, তাই পিডিএফ যাচাইয়ের আগে প্রকাশিত হয় না।
অপব্যবহার ঠেকানো
বারবার জমা দেওয়া ঠেকাতে ঠিকানার একটি সাংকেতিক রূপ ব্যবহার করা হয়, যার চাবি প্রতিদিন বদলায়। কাঁচা ঠিকানা কোথাও লেখা হয় না, এবং আগের দিনের চাবি মুছে যাওয়ায় পুরনো হিসাব থেকে কাউকে খুঁজে বের করা যায় না।
কুকি ও ট্র্যাকিং
কোনো বিজ্ঞাপন নেই, কোনো তৃতীয় পক্ষের ট্র্যাকার নেই, কোনো অ্যানালিটিক্স স্ক্রিপ্ট নেই। ভাষার পছন্দ ঠিকানাতেই থাকে, কুকিতে নয়।
তথ্য কোথায় থাকে
তথ্য বাংলাদেশের বাইরে, ইউরোপে রাখা হয়। এটি ইচ্ছাকৃত: ঢাকা থেকে আইনি প্রক্রিয়ায় সেখানে পৌঁছানো কঠিন।
নাম প্রকাশ নয়
প্রকাশিত কোনো অভিযোগে ব্যক্তির নাম থাকে না, শুধু পদ ও দপ্তর। কোনো অভিযোগে নাম বা মানুষের মুখ থাকলে আপত্তি জানানো যায়, এবং যথেষ্ট আপত্তি জমা হলে অভিযোগটি নিজে থেকেই সরে যায়।
আপনার নিয়ন্ত্রণ
ইমেইল না দিলে অভিযোগটি আপনার সঙ্গে যুক্ত করার কোনো উপায়ই থাকে না। ইমেইল দিলে অভিযোগ নম্বর দিয়ে নিজের অভিযোগ খুঁজে পাওয়া যায়। মুছে ফেলতে চাইলে নিচের ঠিকানায় লিখুন, অভিযোগ নম্বরসহ।
পরিবর্তন
এই লেখাটি বদলালে উপরের তারিখ বদলাবে। উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হলে হোমপেজে জানানো হবে।
যোগাযোগ
গোপনীয়তা সংক্রান্ত যেকোনো প্রশ্নে: